এ ঘটনায় সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে হিশাম সালেহ আবুঘরবেহ নামের এক মার্কিন তরুণকে গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২৪ বছর বয়সী হিশাম আর লিমন সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরে একই অ্যাপার্টমেন্টের একটি কক্ষে শেয়ারে ভাড়া থাকতেন।হিশামের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির দুটি হত্যার অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার হিলসবরো কাউন্টির একটি আদালত আবুঘরবেহকে জামিন না দিয়ে কারাবন্দী করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন সরাসরি বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশিদের একটি দল আদালতে উপস্থিত ছিল। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই লিমন ও বৃষ্টির সহপাঠী ও বন্ধু।তাঁদের একজন সালমান সাদিক শুভ বলেন, ‘আমাদের বন্ধুদের সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছে, সেটা আমরা জানতে চাই।’
রিফাতুল ইসলাম নামের আরেক তরুণ বলেন, ‘এখনো অনেক প্রক্রিয়া বাকি। দেখুন, আমরা যখন এখানে আসি, বাড়ি থেকে ৮ হাজার মাইল দূর থেকে—এখানে তারাই আমাদের পরিবার, আমাদের সবকিছু। সব অনুষ্ঠানে আমরা সবাই সবার সঙ্গে দেখা করি।’
রিফাতুল আরও বলেন, ‘আমরা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। যে জায়গাকে আমরা সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বলে মনে করি—আমাদের বাড়ি, আমাদের নিজের ঘর, আমাদের নিজের রান্নাঘর—সেখানেই তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। এটা আমাদের খুবই হতবাক করেছে। আমি বুঝতে পারছি না কী বলব, এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’ স্টেট অ্যাটর্নি সুজি লোপেজ আদালতে লিমন ও বৃষ্টির বন্ধু এবং সহপাঠীদের এমন সরব উপস্থিতির বিষয়টি লক্ষ করেছেন।
