নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হাত-পা-মুখ বাঁধা অচেতন অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলম দিদার (২৮) নামে এক ছাত্রদল নেতাকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। গতকাল সোমবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার কেন্দুয়া-আঠারবাড়ী সড়কের বড় কালিয়ান এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। আহত দিদার ওই ইউনিয়নের মরিচপুর গ্রামের আজু মিয়ার ছেলে। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় ইউনিয়নের কালিয়ান এলাকায় বাদল ভূঞার ইটখোলার পাশে ছাত্রদল নেতা দিদারকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অচেতন অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে দ্রুত উদ্ধার করে তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। রাত ১১টায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে অবজারভেশনে রাখেন।বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আহত দিদারের চাচাতো ভাই হাসান বলেন, ‘ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এরই জেরে বিরোধী পক্ষের কয়েকজন আগে থেকেই তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।তবে দলীয় কোন্দল বা পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হামলা হতে পারে।’ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন মোহাম্মদ তমজিদ বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। এই বর্ধিত সভাকে বানচাল করার জন্য একটি পক্ষ এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমার ধারণা। এটিকে আমি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেও দেখছি। সুষ্ঠু তদন্তে সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তিনি। কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি এবং তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহত দিদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। হাসপাতালেও পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’