এমন অনেক দেশি ফল আছে, যেসব খুব বেশি পরিচিত না হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তেমন একটি ফল ডেউয়া। গ্রামাঞ্চলে বেশ পরিচিত হলেও শহরাঞ্চলে অপ্রচলিতই বলা চলে। অঞ্চলভেদে কেউ একে ডাকে ঢেউয়া, ডেলোমাদার, ডেউফল কিংবা ঢেউফল নামে। দেখতে এবড়োখেবড়ো ও কাঁঠালের খুদে সংস্করণের মতো ফলটির কোষগুলো হলুদ রঙের। পাকলে এই কোষ হয় অতি মোলায়েম। কাঁচা ফল সবুজ, পাকলে হলুদ। ভেতরের শাঁস লালচে হলুদ। কাঁচা থাকতে স্বাদ টকটক। পাকলে আবার অন্য স্বাদ। সেটা না টক না মিষ্টি। রান্না করেও খাওয়া যায়। চাহিদা কমে যাওয়ায় গ্রামে এ ফলের চাষ কমে গেছে। সঙ্গে কমছে দেশি এ ফলের কদর। অথচ পুষ্টিগুণে কাঁঠালের কাছাকাছি এ ফলের গুরুত্ব একটুও কম নয়।
ডেউয়াগাছ চিরসবুজ বৃক্ষ। পাতাগুলো বড় ও খসখসে, অনেকটা ডুমুরের পাতার মতো। একেকটি গাছ ২০-২৫ ফুট উঁচু হয়। এর কাঠ বেশ উন্নত মানের। ডেউয়া ফলটি গোলাকৃতির, ২–৫ ইঞ্চি চওড়া। প্রতিটি ফলে থাকে ২০–৩০টি বীজ। একেকটি ডেউয়ার ওজন হতে পারে ২০০–৩৫০ গ্রাম।
দেশি ফলের পুষ্টিগুণ

ডেউয়া ফলের পুষ্টিগুণ

পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ ফল অনেকের কাছেই অপরিচিত।
