
এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বিবৃতি। বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি তাদের সরকারি দপ্তরগুলো দখলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও বুধবার রাতে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয় সুর দেখিয়ে দাবি করেছেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা বন্ধ হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন, তবুও সামরিক হামলার আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মহল। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প ইতোমধ্যে হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এবং এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো মার্কিন প্রশাসনকে সংযত থাকার এবং সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসছে।
