নতুন কেন্দ্রটির নাম হলো ‘মিডল ইস্টার্ন এয়ার ডিফেন্স কম্বাইন্ড ডিফেন্স অপারেশনস সেল (এমইএডি-সিডিওসি)’ এবং এটি কম্বাইন্ড এয়ার অপারেশনস সেন্টার (সিএওসি)-এর আওতায় পরিচালিত হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদার দেশগুলোর সেনা সদস্যরাও থাকবে।
তবে ইরানের সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘কঠোর পদক্ষেপ’ হুমকির পর, ইরানের জাতিসংঘ মিশন এক্সে পোস্ট করে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতি মূলত শাসন পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে। নিষেধাজ্ঞা, হুমকি, পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা সবই সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির উপায়।’ তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনা পুনরায় ব্যর্থ হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।
কাতারই মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যা ইসরায়েল এবং ইরান, উভয়ের আক্রমণের মুখে পড়েছে। তবুও, দোহা ও তেহরান বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র ভাগাভাগি করে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। উল্লেখ্য, এমইএডি-সিডিওসি কেন্দ্রের উদ্বোধনের আগে গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার এবং বাহরাইনের সঙ্গে দুটি দ্বিপাক্ষিক বায়ু ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল।

