
জহিরুল বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংক্ষুব্ধ কেউ তদন্ত কমিটির কাছে অভিযোগ দিতে পারবেন, এমন কথা বিধিমালায় বলা আছে। তবে আইনের সংজ্ঞায় তদন্ত কমিটির কোনো সংজ্ঞায়ন করা হয়নি। প্রক্রিয়াটিকে জটিল এবং সময়ক্ষেপণের একটা উদ্দেশ্য আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সবাই নির্বাচন কমিশনকে একটি জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। কিন্তু বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যদি কমিশনের কোনো কর্মকর্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তাঁর বিরুদ্ধে করণীয় কী হবে, এ বিষয়টিও স্পষ্ট নয়। জহিরুল মনে করেন, এই আচরণবিধির মাধ্যমে কাঠামোগতভাবে অল্প কিছু প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
আচরণবিধির ২৪ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার একই মঞ্চে সব প্রার্থীর উপস্থিতিতে তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ এবং আচরণবিধি প্রতিপালনের ঘোষণা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি টেলিভিশন চ্যানেল কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনী সংলাপে অংশ নিতে পারবেন, তবে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না।এ দুটি ধারাকে সাধুবাদ জানিয়ে এগুলোকে বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান জহিরুল ইসলাম।
নির্বাচনী ব্যবস্থার সঙ্গে সহিংসতার একটা বড় সম্পর্ক দেখিয়ে তিনি বলেন, কোনো দলের অভ্যন্তরীণ সহিংসতায় কেউ নিহত বা আহত হলে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে—এমন বিধান যুক্ত করা উচিত।
