ডেস্ক রিপোর্ট:
বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত ভার দীর্ঘদিন ছিল র্যাবের ওপর। সংস্থাটি ১২ বছরে ১১১ বার প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হয়। সম্প্রতি মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দিয়ে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের আদেশ দেন হাইকোর্ট।
তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিগত সরকারের কোনো চাপ ছিল কি না অথবা র্যাব তদন্তে ব্যর্থ হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে অনেকটা কৌশলী জবাব এসেছে তাদের কাছ থেকে।
আজ বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরের দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চান।
সাগর-রুনি হত্যা মামলা তদন্ত করতে র্যাব ব্যর্থ কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস বলেন, ‘তদন্ত আরো বেগবান করার জন্য হাইকোর্ট মনে করেছেন আরো অভিজ্ঞ লোক দরকার। যারা এ ধরনের কাজে পারদর্শী তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে টাস্কফোর্স গঠন করতে বলা হয়েছে। এতে যদি র্যাবের কোনো সহায়তা লাগে আমরা যেকোনো সহায়তা করতে প্রস্তুত।’
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিগত সরকারের কোনো চাপ ছিল কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের মুখপাত্র বিষয়টি এড়িয়ে যান।
র্যাব সদস্য পালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস বলেন, ‘বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা কর্মবিরতিতে গেলেও কোনো র্যাব সদস্য কর্মবিরতিতে যায়নি এবং কোনো র্যাব সদস্য পালিয়ে যায়নি।’
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে র্যাবের হেলিকপ্টার থেকে কি নিক্ষেপ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘র্যাবের হেলিকপ্টার থেকে শুধুমাত্র টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে র্যাব হেডকোয়ার্টার থেকেও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্র-জনতার ওপর র্যাবের পক্ষ থেকে কোনো গুলি করা হয়নি। যদি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে কোনো অভিযোগ থাকে তবে আমরা তা খতিয়ে দেখব।’
